পাংশা উপজেলায় সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত গার্লস হাইস্কুল। প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জমির পরিমান-১৭৯ শতাংশ। মোট শিক্ষক ১০ জন, কর্মচারী ০৪ জন, তিনটি - দ্বিতল ভবন, ছাত্রীদের আবাসিক হোস্টেল আছে, নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি দ্বারা পরিচালিত, মোট ছাত্রী সংখ্যা- ৩০৩ জন। কশবামাজাইলের কৃতি সন্তান মরহুম খাঁন বাহাদুর নাদির হোসনে যিনি ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষে এস.পি ছিলেন এবং চাকুরি হইতে অবসর গ্রহণের পর ইংরজেি ১৯২০ সালে ততকালীন ফরিদপুর জেলার বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ইংরেজি ১৯২২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাঁহার বংশধরদের মধ্যে বিদ্যূতশাহী ব্যক্তিগন স্থানীয় বিদ্যূতশাহী ব্যক্তিদের সক্রিয় সহযোগীতায় এই কৃতি সন্তানের নামে কশবামাজাইল গ্রামে একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা করেন। তারই ফলশ্রুতিতে ক্ষণজন্মা এই মহাপুরুষের নিজ বাসভবনে তাঁহার ভাইয়ের জামাতা তদানিন্তন পাকিস্তান সরকারের এম.এন.এ এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় কমিটির সচিব জনাব ইউসুফ হোসেন চৌধুরী সাহেবের সভাপতিত্তে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইংরজেি ০১/০৫/১৯৬৩ তারিখে প্রথম সভা অনুস্থিত হয়। যাহা র্বতমান রাজবাড়ী জেলার মধ্য দ্বিতীয় এবং পাংশা থানার মধ্যে প্রথম বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। পরবর্তীকাল হইতে খাঁন বাহাদুর নাদির হোসেন সাহবেরে বংশধরগণ এবং স্থানীয় বিদ্যূতশাহী ব্যক্তিদের সক্রিয় সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি র্পুণাঙ্গ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে উন্নতি করিয়া অদ্যবধি সফলতার সহিত বিদ্যালয় পরিচালনা করিয়া আসিতেছেন।